মিরপুরের রাহুল মিয়া যখন প্রথমবার Dhaka Game-এ অ্যাকাউন্ট খোলেন, তখন তাঁর মাথায় কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। অনেকের মতোই তিনিও প্রথম কয়েকটি বেটে এলোমেলোভাবে টাকা লাগিয়েছিলেন। কিছু জিতেছেন, কিছু হেরেছেন — কিন্তু বুঝতে পারছিলেন না ঠিক কোথায় ভুল হচ্ছে।
BPL শুরু হওয়ার দু'সপ্তাহ আগে রাহুল একটা সিদ্ধান্ত নেন। ক্রিকেট তাঁর প্রিয় খেলা, বছরের পর বছর ধরে খেলাটা দেখছেন — তাহলে এই জ্ঞানকে কাজে লাগানো উচিত। তিনি প্রতিটি দলের গত মৌসুমের পরিসংখ্যান দেখতে শুরু করলেন। কোন ব্যাটার কোন পিচে ভালো করেন, কোন বোলার পাওয়ারপ্লেতে বেশি উইকেট নেন, কোন দল চাপের পরিস্থিতিতে ভালো সিদ্ধান্ত নেয় — এই সব বিষয় নোট করলেন।
Dhaka Game-এর প্রি-ম্যাচ মার্কেটে তিনি শুধু "ম্যাচ উইনার"-এ নয়, "প্রথম ইনিংস রান" এবং "হাই স্কোরার" মার্কেটেও মনোযোগ দিলেন। কারণ কখনো কখনো এই মার্কেটে অডস তুলনামূলক বেশি থাকে এবং সঠিক বিশ্লেষণ থাকলে জেতার সুযোগও বেশি।
আমি প্রতি ম্যাচের আগের রাতে আধা ঘণ্টা পড়াশোনা করতাম। আবহাওয়া, পিচ, টিম কম্পোজিশন — সব মিলিয়ে একটা ছবি মাথায় আসত। তারপর Dhaka Game-এ অডস দেখতাম। যেখানে মনে হতো অডস আমার বিশ্লেষণের চেয়ে বেশি সুবিধাজনক, শুধু সেখানে বেট করতাম।
BPL-এর পুরো সিজনে রাহুল মোট ১৮টি বেট করেছিলেন। এর মধ্যে ১৪টিতে জিতেছেন। হার-জিতের অনুপাতটা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তিনি হারের বেটগুলো ছোট রেখেছিলেন এবং বেশি আত্মবিশ্বাসী বেটগুলোতে একটু বেশি স্টেক রেখেছিলেন। এই ব্যাংকরোল ম্যানেজমেন্টই তাঁর মোট ROI ৩২% করে দিয়েছে।